অবসেস এ জামিন মিলল। নারদ মামলায় গ্রেপ্তার মন্ত্রিদের ফিরহাদ, সুব্রত, মদন ও শোভনের

সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় বাহিনী তৎপরতা নিয়ে গিয়ে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর তদন্তকারী দল সিবিআই আচমকাই বাড়িতে গিয়ে গ্রেপ্তার করে নারদ  কাণ্ডে অভিযুক্ত  চার প্রভাবশালী নেতা ও মন্ত্রী কে,এই নিয়ে চলে আজ রাজ্য রাজনীতি সারাদিন চাপানউতোর,অবশেষে জামিন পেলেন এই চার মন্ত্রী।

অবসেস এ জামিন মিলল। নারদ মামলায় গ্রেপ্তার মন্ত্রিদের
অবসেস এ জামিন মিলল

সকালে গ্রেফতার। দিনভর চাপান উতোরের পর সন্ধ্যাবেলায় জামিন পেলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের  বিধায়র ফিরহাদ হামিক ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়। সেইসঙ্গে জামিন পেয়েছেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র।এদিন গ্রেফতার করা হয়েছিল দলবদলু তৃণমূলের পকলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। তাঁকেও  জামিনে মুক্ত করা হয়েছে। সিবিআই-এর বিশেষ আদালতের এই নির্দেশে রীতিমত স্বস্তি তৃণমূল শিবিরে।


আসুন জেনে নেয়া যাক ঠিক কি হয়েছিল যার ফলে আজ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে নিচে যেতে হলো তাদের দলের সভা কর্মীদের গ্রেপ্তারের কারণ জানতে এবং কৃষি ব্যাংক থেকে কি দাবি রাখা হয়েছিল এবং শেষপর্যন্ত  বিচারপতি অনুপম মুখোপাধ্যায় জামিন মঞ্জুর করলেন এই চার মন্ত্রীদের

সকালে গ্রেপ্তারের খবর শুনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছুটে যান তাদের সহকর্মীদের ইফতারে কারণ জানতে এবং প্রায় 6 ঘন্টা ওইখানে কাটান তার পরে তিনি বেরিয়ে আসেন বলেন বিচারপতির রায়ে শেষ কথা বলবে।
তার কিছুক্ষণ পরে খবর আসে, এই  চার মন্ত্রির জামিন মঞ্জুর করেছে বিচারপতি।50000 টাকার ব্যক্তিগত বন্ডের বিনিময় বিচারক অনুপম মুখোপাধ্যায় চারজনের অন্তবর্তী জামিন দিয়েছেন।

এক নজরে দেখে নেয়া যাক সিবিআই ও মন্ত্রিসভার পক্ষ তথা  তৃণমূলের পক্ষ থেকে আইনজীবী নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়-এর কথোপকথনঃ-

করোনা অতিমারির কথা মাথায় রেখে এ দিন ভার্চুয়ালি আদালতে পেশ করা হয় ধৃত নেতা, মন্ত্রীদের৷ নারদ মামলায় প্রথম চার্জশিটও এ দিন আদালতে জমা দিয়েছে সিবিআই৷ সেখানে মোট ১৩ জন অভিযুক্তের মধ্যে ৫ জনের নাম রয়েছে৷ এ দিন যে চার জনকে গ্রেফতার করা হয়, তাঁরা ছাড়াও চার্জশিটে নাম রয়েছে আইপিএস অফিসার এসএমএইচ মির্জার৷
  • তিনি প্রথম দাবি করেন তাদেরকে যেচে টাকা দেয়া হয়েছে। সেখানে তাঁর কোনও মক্কেলই ঘুষ চায়নি বলে দাবি করেন।দুর্নীতি দমন আইনে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ আনতে গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার প্রমাণ থাকতে হবে৷ 
  • সুপ্রিম কোর্ট গত 7 এই মার্চ রায় দিয়েছে যে এই মহামারীর কথা মাথায় রেখে অপ্রয়োজনে কাউকে গ্রেপ্তার করা যাবে না। সে ক্ষেত্রে এই মন্ত্রীরা সামনেথেকে লড়ছে মহামারী মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে কেন এতদিনেও অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে?

  • অসংবিধানিক অনুমোদন রাজ্যপালের বলে দাবি করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তিনি মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভায় পরামর্শ ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না এইরকম দাবি তোলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  • তিনি আরো বলেন এই মামলায় শুভেন্দু অধিকারী ও মুকুল রায়ের মতো নেতারা অভিযুক্ত হওয়ার কারণে তাদেরকে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না তাহলে কি এখানে রাজনৈতিক শক্তি প্রয়োগ হচ্ছে এই বলে তিনি প্রশ্ন রাখেন।

সূত্রের খবর, এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে পারে সিবিআই।  

Leave a Comment