হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে করোনাভাইরাস টেস্ট: X-Ray Setu test Covid19 By Whatsapp bot

Covid 19: হোয়াটসঅ্যাপই বলে(Whatsapp bot) দেবে আপনার কোভিড হয়েছে কি না, এবার সরকারের নতুন প্রয়াস ‘এক্স-রে সেতু’(X ray near me)

নিউজ-বাংলা ডেস্ক(news18 bangla) :- গোটা ভারত জুড়ে করুনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে জর্জরিত পুরো দেশবাসী।এমন অবস্থায় ভারতের অবস্থা খুব একটা ভালো না। এবং ভারত অতটা টেকনোলজির দিক উন্নত না। অন্যান্য দেশের তুলনায়, সেই কারণে বিভিন্ন রাজ্যে এমনও বিভিন্ন ছোট ছোট প্রত্যন্ত শহরে বা গ্রামীণ এলাকায় রয়েছে যেখানে চিকিৎসা পদ্ধতি উন্নত হয়ে উঠতে পারেনি।যার ফলে করোনাভাইরাস এতটা ছাপ ফেলেছে ভারতবাসীর মধ্যে।এবং ভীষণ ভাবে ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস চিকিৎসা পেতেও মানুষজনকে নাজেহাল হয়ে,(X ray near me) পড়তে হচ্ছে।সাধারণ মানুষের অনেক সময় কি হয়েছে সেটা বুঝে উঠতে পারছেনা। সেটা নির্ধারণ করতে অনেক সময় কেটে যাচ্ছে। যার ফলে মানুষ জন বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে। যার কারণে, এই করোনা ভাইরাস রোগটিকে ধরতে, আরটি-পিসিআকর পরীক্ষা বা সিটি স্ক্যান সহজে করানো ভাইরাস আছে কিনা কোন রোগীর মধ্যে নিধারন করতে সাহায্য করে।কিন্তু এই বাবস্তার ফলেও সম্ভব হয়ে  ওঠে না।সমস্ত গ্রাম অঞ্চলে, যার ফলে সকল দিক বিবেচনা করে সেই সকল অঞ্চলের কথা মাথাই  রেখে সরকারের পক্ষ থেকে সম্প্রতি শুরু হয়েছে এক নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি।

যার নামকরণ করা হয়(X ray setu)‘এক্স রে সেতু’(X ray near me)। যেটি সম্পুন্ন কাজ করবে এই সমস্ত পরীক্ষার ক্ষেতে মাত্র ১৫ মিনিট এ। যা আপনার স্মার্ট ফোন টা করতে সক্ষম হবে। যেটা কে বলা চলে osmose technology

কিন্তু কীভাবে আপনার স্মার্ট ফোন করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করবে! ভাবেছেন? এটা কি আদেও কাজ করবে? না অন্যান্য আর কয়েকটা ইন্টারনেট এ ভাইরাল হওয়া খবর এর মতো। এটাও একটা খবর।

বলেরাখি আপনার ধারনা সম্পুন্ন ভুল, এটা একদম সত্য, এবং তাঁর ফলে সরকার থেকে এই পধতির মাধ্যমে, করোনা ভাইরাস পরীক্ষার কাজ শুরু করে দিয়েছে,

আসুন দেখে নেওয়া যাক, কীভাবে কাজ করছে এই এই হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট। যার মধ্যে যার মাধ্যমে সত্যিই করোনাভাইরাস আছে কিনা তা নির্বাচন করতে সাহায্য করছে এই হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট বা হোয়াটসঅ্যাপ বট,

বিভিন্ন নামকরা বিখ্যাত আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্স দ্বারা চালিত এই পদ্ধতি কাজ করবে অনলাইন জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে। কোনও ডাক্তার বা রেডিয়োলজিস্ট যদি বুকের এক্স-রে’র ছবি তুলে সেটা হোয়াটসঅ্যাপে আপলোড করেন, তা হলে সেই ছবি বিশ্লেষণ করে ১৫ মিনিটের মধ্যে রিপোর্ট পাঠাবে চ্যাটবট। কোরোনাভাইরাস, নিউমোনিয়া বা টিবি’র মতো যে কোনও রকম অসুখ রয়েছে কিনা তা অবিলম্বে জানা যাবে এই জন্য বিখ্যাত অ্যাপটি হোয়াটসঅ্যাপ  ‘এক্স রে সেতু’(X ray setu) র মাধ্যমে।(X ray near me)

এটি কারা আবিস্কার করলো? এই  হোয়াটসঅ্যাপ বট, কীভাবে এই কাজ করতে সক্ষম হচ্ছে, আসুন জেনে নেওয়া যাক।

কয়েকটা স্টেপ এ বাঁ পাটে পাটে বুঝিয়ে দিয় কিভাবে,  আপনার দরকারে আপনি এটাকে কিভাবে কাজে লাগাবেন।

মানে এই এক্সরে সেতু মাধ্যম টিকে কাজে লাগাবেন।।

       ১.প্রথম এর আপনার ব্রাউজার এ একটি ওয়েব সাইট টাইপ করতে হবে। ওয়েব সাইটটি               হল

          (https://www.xraysetu.com/)👈 (আপনি এই লিঙ্ক এ ক্লিক করে সরাসরি যেতে পারেন) 


       ২.ওই ওয়েবসাইটে যাওয়ার পর আপনি একটি ফ্রি এক্সরে সেতু বিটা বলে অপশন দেখতে            পাবেন।
       ৩.আপনি যখন ওই অপশনটিতে ক্লিক করবেন আপনাকে ‘এক্স রে সেতু’                                           র হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট বাঁ একটি উইন্ডোজ এ নিয়ে যাওয়া হবে।

(X ray setu)

(X ray setu)‘এক্স রে সেতু’(X ray near me)



তারপর আপনি রোগীর এক্স এর ছবি পাঠাতে পারবেন এবং এক্সেল এর ছবি দেখে ডায়গনিক করার পর কয়েক মিনিটের মধ্যেই আপনার কাছে ওই পরীক্ষার একটি রিপোর্ট চার্ট পাঠানো হবে ওই রিপোর্ট চ্যাট দেখে চিকিৎসক রোগীর চিকিৎসা শুরু করতে পারবে এবং সঠিক পরামর্শ দেবে

Whatsapp bot

Whatsapp bot


এছাড়া চাকরীর খবর পরুনঃ-karmasthan

এটি আবিস্কার করেছে….

আর্ট ওয়ার্কের প্রধান নির্বাহী উমাকান্ত সনি সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, এক্স-রে সেতুটি স্টার্ট-আপ নীরমাই এবং আইআইএসসির সহযোগিতায় গড়ে উঠেছে। নতুন প্রযুক্তিটি এআই সিস্টেমের সাহায্যে প্রক্রিয়াকৃত এক্স-রে ব্যবহার করে COVID-19 সনাক্তকরণে সহায়তা করে। এর জন্য বর্তমানে কোনও ফি নেওয়া হচ্ছে না।
এই সংস্থার তিনি জানিয়েছেন 6 থেকে 4 মাসের জন্য বিনামূল্যে পাওয়া যাবে এই সার্ভিস।প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উমাকান্ত সানি পি টি আই কে বলেছেন।

ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স The Institute for International Academic and Scientific Cooperation(IIASC) (আইআইএসসি), একটি স্টার্টআপ সংস্থা ‘নিরাময়ী’ এবং আর্টপার্ক যৌথভাবে এই প্রযুক্তি তৈরি করেছে এই ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স (আইআইএসসি), একটি স্টার্টআপ সংস্থা ‘নিরাময়ী’ এবং আর্টপার্ক যৌথভাবে এই প্রযুক্তি তৈরি করেছে(osmose technology)। সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা যায়,এই মুহূর্তে প্রায় ৫০০ জন ডাক্তার এই প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন। তবে ‘আর্টপার্ক’এর তরফ থেকে সংবাদ সংস্থাকে জানানো হয়েছে যে, অল্প কয়েকদিনের মধ্যে খুব তাড়াতাড়ি ১০,০০০ ডাক্তার এই মাধ্যম ব্যবহার করবেন বলে তাঁরা যথেষ্ট আশাবাদী গোটা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে যেসকল বিভিন্ন ছোট ছোটগ্রামীণ এলাকায় বা শহর রয়েছে যেখানে এই সময়ে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থা কেমন উন্নত নয়। সেই সকল এলাকার কথা মাথায় রেখে ভারতীয় সরকার এই নতুন একটি মাধ্যম এর প্রচলন করেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে করোনা মোকাবেলা করা তেমন সহজ ব্যাপার নয় ফলে যে সকল অঞ্চলে করুণা চিকিৎসার জন্য কোনরকম সিটি স্ক্যান বা আরটি-পিসিআর’এর মতো সুবিধা সহজলভ্য নয়। সেই ক্ষেত্রে অনেক করোনা পজিটিভ এর  পরীক্ষা করতে দেরি হয়ে যাওয়ার (কোনও কোনও সময় প্রায় ৩ থেকে ৪ দিন) রোগীর অবস্থা আরও গুরুতর হয়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যুও ঘটছে।

আবিষ্কারক তাদের ধারণা এই(osmose technology) সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পাবে গ্রাম অঞ্চলের মানুষ জন এবং চিকিৎসা মাধ্যম আরো সহজলভ্য হয়ে উঠবে।

অনেক বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন এই নতুন পন্থা যা ভারতকে টেকনোলজির(osmose technology) দিকে আর এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল।

বর্তমানে ইন্টারনেট জগতে দাঁড়িয়ে  বিখ্যাত একটি অ্যাপ হোয়াটস অ্যাপ , যার মাধ্যমে আমরা সারাদিন কোন কাজের মাধ্যমে হোক বা কারো সাথে কোন কথাবার্তার খেতে হবে ব্যবহার করে থাকি। এবং প্রত্যেকের হাতেই থাকা নামিদামি সমস্ত প্রকার স্মার্টফোন।তার মাধ্যমে মোবাইলে তোলা লো-রেজোলিউশন(কম কোয়ালিটি) ছবি দেখেও এই চ্যাটবট(Whatsapp bot) রিপোর্ট তৈরি করতে সক্ষম। এটা একটা osmose technology তাই আবিষ্কারই সংস্থা এই হোয়াটসঅ্যাপ টা কে বেছে নিয়েছে তাদের আবিষ্কার এর মূল বৈশিষ্ট্য হিসাবে।
সেই ধরনের পরিস্থিতি ভবিষ্যতে এড়াতে সরকারের এই সকল প্রচেষ্টা প্রচেষ্টা। বর্তমান ভারতীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা। তাই চটজলদি রিপোর্ট পাওয়ার সুবিধা রয়েছে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে।(X ray setu) এই উদ্যোগের জন্য ‘আর্টপার্ক’ ২৩০ কোটি টাকার সাহায্য পেয়েছিল আইআইএসসি’র তরফ থেকে। আপাতত বিনামূল্য মানুষ এই পরিষেবা ব্যবহার করতে পারবেন বলে ঘোষণা করে ভারত সরকার। নির্মাতাদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে এই পরিষেবা যদি অর্থের বিনিময় ব্যবহার করতেও হয়, তা হলে ও তার টাকার অংক তেমন বাড়বে না। রিপোর্টপিচু নেওয়া হতে পারে ১০০ টাকার , কিন্তু তার বেশি হবে না। ভারতের সকল সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার।

osmose technology,  X-Ray Setu test Covid19 By Whatsapp bot,(X ray setu)‘এক্স রে সেতু’(X ray near me)

Leave a Comment