ATM জালিয়াতি কাণ্ডে গ্রেফতার ৪: Few Days Ago Rs 2 Crore ATM Money loots under Kolkata

The ATM fraud that took place in Kolkata a few days ago.  Police arrested the hackers behind the incident.

এটিএম জালিয়াতি কাণ্ডে গ্রেফতার ৪, সুরাত থেকে দুই অভিযুক্তকে জালে তুলল পুলিশ।

নিউজ-বাংলা ডেস্ক(news18bangla) :- বেশ কিছুদিন আগে কলকাতার মধ্যে বেশকিছু এটিএম থেকে লক্ষাধিক টাকার এটিএমের লুটের ঘটনা আমরা  সবাই শুনেছি। যেই যেই জেইগাই এই লুট হয়েছিল। যাদবপুর, নিউমার্কেট, কাশিপুর , কলকাতায় এই চারটি জায়গায়, বেসরকারি ব্যাংক এর এটিএম থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিল লক্ষ লক্ষ টাকা। কিন্তু এটিএম না ভেঙে এটিএম-এ কোন আঘাত না করে লুট হয়েছিল এ টাকা,

কলকাতায় এটিএম জালিয়াতি নতুন কৌশল তদন্তে লালবাজার।পুলিশ সূত্রে খবর নিউমার্কেটে এটিএম থেকে উধাও ১৮ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা।কাশীপুরে এটিএম থেকে উধাও হয়েছে ৭ লক্ষ টাকা।এবং যাদবপুরে এটিএম থেকে উধাও হয়েছিল ১৩ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা।

কিভাবে হচ্ছে লুট? বিশেষজ্ঞদের মতে এটিএম এর উপরের দিকের হুড টি খোলা হচ্ছে খোলার পর এটিএম যে মূল কেবিল রয়েছে সেই কেবিল এর সাথে যুক্ত ব্যাংকের যে সংযোগকারী কেবিল এর মধ্যে লাগিয়ে দিচ্ছে এক অত্যাধুনিক মেশিন।

কিন্তু এই মেশিন কিভাবে কাজ করছে? কিভাবে কাজ করে এই মেশিন এটিএম থেকে লক্ষাধিক টাকা উঠে যাচ্ছে আসুন দেখা যাক? কি বলছে বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে এটিএম এর উপরের দিকে  হুড থাকে সেই হুডের ভেতর এ  একটি লাইন তার থাকে সেই ল্যান কেবল যুক্ত থাকে একটি হোস্ট এর সঙ্গে আর ওই হোস্ট যুক্ত থাকে ব্যাংকের মূল সার্ভার হোস্টের সঙ্গে।

হ্যাকাররাও এই  ল্যান কেবল তারের মধ্যে বসাচ্ছে অত্যাধুনিক ডিভাইস। আর এই অত্যাধুনিক ডিভাইস থেকে হ্যাকাররা বসে বসে অ্যাক্সেস করতে পারে ব্যাংকের সার্ভার হোস্ট।

ফলে কি হছে হ্যাকাররা এটিএম এর মধ্যে এটিএম কার্ড ইউজ করে যেই পিন দিক না কেন ব্যাংকের কাছে তথ্য যাচ্ছে। ভুল পিন হলেও সেটা সঠিক পিন বলে। আর এই অত্যাধুনিক মেশিন এতটা স্মার্ট যে আপনি এখানে ১০,০০০ টাকা তোলার রিকুয়েস্ট দিলে হ্যাকাররা ওটাকে ১০০০০০লক্ষ টাকায় কনভার্ট করে দিতে পারে

এই ভাবেই লুট হয়ে যায় কয়েক দিন আগে কলকাতা বেশ কিছু  এটিএম থেকে লক্ষধিক টাকা, এই কয়েকটি এটিএম থেকে

এইবার ধরাপড়লো সেই হ্যাকার রা

কলকাতা শহরে একের পর এক এটিএম থেকে টাকা চুরির ঘটনায় চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ৷ সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে ধরেই চারজনের নাগাল পেয়েছে পুলিশ৷ জানা যায় চারজনের মধ্যে দু’ জনকে গুজরাতের সুরাত থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ বাকি দু’ জনকে ধরা হয়েছে কলকাতা থেকেই৷

কয়েকদিন আগেই কাশীপুর, নিউ মার্কেট, যাদবপুর এবং বউবাজারের চারটি এটিএম থেকে মেশিন না ভেঙেই লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় এই চার এই চার প্রতারকরা৷ অত্যাধুনিক ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাঙ্কের নিজস্ব সার্ভারকে কার্যত বোকা বানিয়ে টাকা তোলা হত বলে অনুমান করছে বিশেষজ্ঞরা। তদন্তে নেমে কলকাতা পুলিশের ব্যাঙ্ক প্রতারণা দমন শাখার তদন্তকারীরা সন্দেহ করেছিলেন, তারা মনে করেন এই প্রতারণার পিছনে ফরিদাবাদের একটি গ্যাং থাকতে পারে৷ প্রতারকদের নাগাল পেতে কলকাতা পুলিশের অফিসাররা ভিন রাজ্যে পাড়ি দেন৷ এবং এর পরই সুরাত থেকে মনোজ গুপ্ত (৪০) এবং নবীন গুপ্ত (৩০) নামে দু’ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ৷ এরা দু’ জনেই দিল্লির ফতেহপুর বেরির বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে৷ এর পাশাপাশি কলকাতা থেকে বিশ্বদ্বীপ রাউত এবং আব্দুল সইফুল মণ্ডল নামে আরও দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়৷ ধৃতদের কাছ থেকে বেশ কিছু অত্যাধুনিক ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস,  ডেবিট কার্ডের মতো বিভিন্ন উন্নত প্রযুক্তির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে কলকাতা পুলিশ৷

ইতিমধ্যে সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা যায় যে, সুরাত থেকে গ্রেফতার হওয়া দুই অভিযুক্তকেই কোর্টে পেশ করে এবং তারপর ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় নিয়ে আসা হবে৷ পাশাপাশি কলকাতায় ধৃত আরও দু’ জনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করে কীভাবে প্রতারণা চালানো হল, এই চক্রে আর কারা কারা যুক্ত আছে,তা নিয়ে সমস্ত বিষয়  ক্ষতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা৷ এবং পুলিশের তরফে থেকে এ কথা ও জানানো হয়েছে যে,বাকি অভিযুক্তদের খোঁজেও বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চলছে কলকাতা পুলিশ।

Leave a Comment